ভাষা, শব্দ ও বৈচিত্র্যতা

ভাষা মানুষের মনের ভাব প্রকাশের সর্বোত্তম মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে বহুযুগ আগে থেকেই। বর্তমানে ৭০০ কোটি মানুষের এই পৃথিবীতে ভাষা রয়েছে প্রায় সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি। যার মধ্যে আমাদের বাঙালী জাতির গর্ব বাংলা ভাষা অন্যতম। আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত বাংলাকে আমরা আমাদের জাতীয় ভাষা হিসেবে  পেয়েছি বহু রক্ত আর দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাংলা ভাষার বিভিন্ন ব্যবহার দেখা যায়- যাকে বলা হয় ভাষার আঞ্চলিকতা। উল্লেখ্য ভাষার আঞ্চলিতায় যে ভাষার শুধু শব্দের পরিবর্তনে দেখা যায় তা নয় বরং পরিবর্তন দেখা যায় অর্থেও। ভাষার এই আঞ্চলিকতাই আমাকে এবার নতুন একটি অভিজ্ঞতার স্বাদ পেতে সাহায্য করেছে। 

গত সপ্তাহ দুয়েক আগে বর্তমান অফিস (ডিআরআই) থেকে উত্তরবঙ্গের নীলফামারী জেলায় ‘নারী’ নামক একটি প্রকল্পের কাজ দেখার জন্য গিয়েছিলাম। বিশ^ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় পরিচালিত ‘নারী’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয় এবং বেপজা (বাংলাদেশ এক্্রপোর্ট প্রসেসিং জোন অথরিটি)। ৩ বছর মেয়াদী এই প্রকল্পের অধীনে উত্তরবঙ্গের ৫টি জেলা (রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী এবং গাইবান্ধা) থেকে ১০৮০০ নারীকে (কমপক্ষে ৮ম শ্রেণী পাশ ও বয়স সীমা ১৮-২৬ বছর) পোশাক শিল্পের উপর ৩ মাসের আবাসিক প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেয়াই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। উল্লেখিত ৫টি জেলার ১৮ থেকে ২৬ এবং কমপক্ষে ৮ম শ্রেণী পাশ নারীরা এই প্রকল্পের সুবিধাভোগী হয়ে প্রশিক্ষণ নিতে পারবে। প্রশিক্ষণগুলো হবে চট্টগ্রাম, পাবনা এবং ঢাকা ইপিজেডে। প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত ৫টি জেলা হতে তথা স্থানীয় পর্যায় হতে সুবিধাভোগী নির্বাচনের কাজটি করছে সুশিলন নামের একটি এনজিও।

নীলফামারী জেলার জলঢাকা ও ডিমলা উপজেলায় নারী প্রকল্পের সুশিলনের সুবিধাভোগী নির্বাচন প্রক্রিয়া মনিটরিং করতে গিয়ে নতুন একটি বিষয় আমার মনোদৃষ্টিকে আকর্ষণ করে। এখানে আমি দেখতে পেলাম কিভাবে একই জিনিসের অর্থ ভিন্ন হয় শুধুমাত্র ভাষা আলাদা হওয়ার কারণে। এই বিষয়টি বুঝেই সুশিলনের স্থানীয় কর্মীরা সুযোগ বুঝে উপযুক্ত শব্দ চয়ন ও তার ব্যবহার করে থাকে।

গার্মেন্টস ও পোশাক শিল্প

সুশিলনের কাজের একটি অংশ হলো গ্রামে গ্রামে কাউন্সেলিং ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করে সুবিধাভোগী নির্বাচনের কাজকে ত্বরান্বিত করা। যখন সুশিলনের কর্মীরা গ্রামের অশিক্ষিত কিংবা কম শিক্ষিত নারীদের  সাথে কথা বলে তখন তারা কখনো গার্মেন্টস শব্দটি ব্যবহার করে না যদিও সুবিধাভোগীদের প্রশিক্ষণ হবে গার্মেন্টস বিষয়ে এবং চাকুরীও হবে গার্মেন্টসে। বরং তারা যৌক্তিক কারনেই গার্মেন্টস এর পরিবর্তে পোশাক শিল্প শব্দযুগল ব্যবহার করে থাকে। গার্মেন্টস বলতে গ্রামের সাধারণ মানুষজন যা বোঝে তা খুবই নেতিবাচক। গার্মেন্টস বললে তারা গার্মেন্টেসের তথাকথিত নেতিবাচক দিকগুলোর কথাই বিবেচনা করে। যেমন: গালাগালি করা, অধিক খাটুনির বিনিময়ে কম ও অনিয়মিত বেতন, চাকরির অনিরাপত্তা ইত্যাদি বুঝে থাকে। যার ফলে সুশিলনের কর্মীরা গার্মেন্টস শব্দটি সচেতনভাবেই ব্যবহার করে না। অন্যদিকে পোশাক শিল্প আর গার্মেন্টস এক হলেও মানুষ পোশাক শিল্পকে গার্মেন্টস অপেক্ষা ভালো দৃষ্টিতে দেখে। পোশাক শিল্প শব্দটি সম্পর্কে কম পরিচিতি এবং অজানা; তাই ভালো কিছু আছে ভেবে মানুষের কাছে পোশাক শিল্প শব্দের গ্রহণযোগ্যতা অপেক্ষাকৃত বেশি। গার্মেন্টস সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণার উৎস কমিউনিটি নিজেই। কারণ এই সকল কমিউনিটিতে এমন কিছু নারী পাওয়া যায়- যাদের গার্মেন্টেসে কাজ করার খারাপ অভিজ্ঞতা রয়েছে। মূলত কমিউনিটির কিছু মানুষের গার্মেন্টস সম্পর্কে তিক্ত অভিজ্ঞতাই যে সমাজে গার্মেন্টস সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করতে প্রধান ভূমিকা রেখেছে তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। কাউন্সিলিং করানোর দায়িত্বে থাকা সুশিলনের একজন কর্মীর কাছে গার্মেন্টস শব্দ ব্যবহার না করার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘‘গার্মেন্টস বললে এরা কেউ যেতে রাজি হয়না। কারণ গার্মেন্টসে কাজ করাকে এরা খুব খারাপ বা নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখে, তাই আমরা টেকনিক্যালি গার্মেন্টস না বলে পোশাক শিল্প বলে থাকি”।

ওয়ার্ল্ড ব্যাংক ও বিশ্বব্যাংক  

ওয়ার্ল্ড ব্যাংক ও বিশ^ব্যাংক দুটি আলাদা শব্দ হলেও একই প্রতিষ্ঠানকে প্রকাশ করার ইংরেজি ও বাংলা দুটি ভিন্ন রুপ। ‘ওয়ার্ল্ড ব্যাংক’ ও ‘বিশ্বব্যাংক’ শব্দদ্বয়ের অর্থ এক ও অভিন্ন এবং বাংলাদেশে এই দুটি শব্দেরই ব্যপক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। ওয়ার্ল্ড ব্যাংক ও বিশ^ব্যাংক শব্দ দুটির অর্থ এক হলে স্থান ও কালভেদে অনেকক্ষেত্রে এদের অর্থ ভিন্ন হয়ে থাকে। ওয়ার্ল্ড ব্যাংককে অনেকে এনজিও বা এনজওি’র মত এমন কিছু একটা মনে করে। এটিকে এনজিও মনে করার কারণ হলো এই নামের কাছাকাছি নাম দিয়ে অনেক এনজিও এখন চলমান যারা মাঠ তথা গ্রামীণ সমাজের মানুষদের নিয়ে কাজ করে। যেমন: ওয়ার্ল্ড ভিশন, ওয়ার্ল্ড ফিস ইত্যাদি। অন্যদিকে বিশ্বব্যাংক শব্দটি সম্পর্কে খুব বেশি ধারণা না থাকায় বেশিরভাগ মানুষজন এটিকে এমন একটি প্রতিষ্ঠান বলে ধারণা করে। যা আসলে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক অপেক্ষা শ্রেয় ও উন্নত। ওয়ার্ল্ড ব্যাংক ও বিশ্বব্যাংকের অর্থের এই পার্থক্য সুস্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়ে ওঠে নারী প্রকল্প নিয়ে কাজ করার সুবাদে। যারা নারী প্রকল্প নিয়ে কমিউনিটি পর্যায়ে কাজ করে তারা জায়গা ও সুযোগ বুঝে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক বা বিশ্বব্যাংক শব্দ ব্যবহার করে থাকে। একবার এই রকম অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছিলাম আমি নিজেই।

নারী প্রকল্প সম্পর্কে অবহিত করার জন্য একদিন নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার একটি হাইস্কুলে যাই স্থানীয় একজন স্টাফকে সাথে নিয়ে। স্কুলের প্রধান শিক্ষকের অনুমতি নিয়ে তার কক্ষে প্রবেশ করে নিজেদের পরিচয় দিয়ে প্রকল্প সম্পর্কে একটু ধারণা দিলাম। প্রকল্প সম্পর্কে শোনার পর ভদ্রলোক প্রধান শিক্ষক তেমন কোন কথা না বলে নিজের কাজ করে যাচ্ছেন। আর আমরাও বসে আছি তার মতামত বা কথা শোনার জন্য। মিনিট পাঁচেক পেরিয়ে গেলেও প্রধান শিক্ষক নিজে থেকে কোন কথা বললেন না। বরং তার শারীরিক ভাষায় এক ধরনের বিরক্তির ভাব ফুটে ওঠে। এই অবস্থায় প্রধান শিক্ষকের মনোযোগ আকর্ষণ করার জন্য আমি কৌশলগত অবস্থান নিয়ে তাকে নিজেকে বিশ্বব্যংকের প্রতিনিধি হিসেবে পরিচয় দিই। বিশ^ব্যাংক বলার সাথে সাথেই পরিস্থিতি বদলে যেতে থাকে। যখনই আমি বললাম যে আমি বিশ^ব্যাংক থেকে এসেছি তখনই তিনি বললেন, ‘আপনি বিশ্বব্যাংক থেকে এসেছেন আগে বলবেন না”। এরপর তিনি তার কাজ বন্ধ করে আমাদের সাথে সুচারুভাবে আলোচনা শুরু করলেন এবং তিনি তার জায়গা থেকে সর্বোচ্চ মাত্রায় সহযোগীতা করার আশ্বাস দিলেন। আলোচনার মধ্যেই তিনি তার পিওনকে ডেকে আমাদের জন্য নাস্তার ব্যবস্থা করলেন এবং অন্যান্য শিক্ষকদেরকে ডেকে এনে আমাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিলেন। আমরা নাস্তা করতে না চাইলে তিনি বলেন ‘‘তা কি করে হয়, আপনি বিশ্বব্যাংক থেকে আসছেন আর আমি এক কাপ চা খাওয়াবো না এটা হয় নাকি”।  উল্লেখ্য যে আমি প্রথমে যখন আমি পরিচয় দিই তখন আমি নিজেকে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের লোক হিসেবে পরিচয় দিই এবং প্রোগ্রামটি যে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের অর্থায়নে হচ্ছে সেটিও তাকে (প্রধান শিক্ষককে) জানিয়েছিলাম। তারপরও তিনি আমাকে বা আমাদেরকে খুব বেশি গুরুত্ব দিতে চাইলেন না। কিন্তু যখন আমি বিশ্বব্যাংক বললাম তখন তার ভিন্নরুপ দেখা গেল। এমনটি হওয়ার প্রধান কারণ হলো ওয়ার্ল্ড ব্যাংক ও বিশ্বব্যাংক সম্পর্কে স্থানীয় পর্যায়ে শব্দ দুটির অর্থ ও গ্রহণযোগ্যতা এক নয়। আমার সাথে থাকা সুশিলনের স্থানীয় কর্মীর কাছে জানতে চেয়েছিলাম-কি কারণে প্রধান শিক্ষক আমাদের সাথে এ রকম আচরণ করলেন? তিনি বলেন, “আসলে বিশ্বব্যাংক থেকে স্কুলে মাঝে মাঝে কিছু অনুদান আসে যার ফলে সে যখন বিশ্বব্যাংকের নাম শুনেছে তখন সে গুরুত্বসহকারে আপনাকে গ্রহন করেছে”।  

অষ্টম শ্রেণী ও এইট পাশ

উঠান বৈঠক কিংবা কাউন্সিলিং করার সময় সুবিধাভোগী হওয়ার শর্ত হিসেবে বয়স ও সর্বনিম্ন শিক্ষাগত যোগ্যতার কথা জানানো হয়। শিক্ষাগত যোগ্যতা জানানোর ক্ষেত্রেও বাংলা ও ইংরেজি ভাষার বৈচিত্র্যতা দেখা যায়। সুবিধাভোগী হওয়ার শিক্ষাগত যোগ্যতা হলো কমপক্ষে অষ্টম শ্রেনী পাশ এবং বয়সসীমা হলো ১৮-২৬ বছর। উঠান বৈঠকে শিক্ষাগত যোগ্যতা বলার সময় সুশিলনের কর্মীরা অষ্টম পাশ না বলে এইট পাশ বলে থাকে। অষ্টম পাশ না বলে এইট পাশ বলার কারণ হলো অষ্টম বললে স্থানীয় মানুষের অনেকের কাছে তা সঠিকভাবে বোধগম্য হয় না রবং তা ভিন্নার্থ তৈরি করে। একদিন নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার একটি গ্রামে একটি উঠান বৈঠকে উপস্থিত থেকে এরকম কিছু অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হই। উঠান বৈঠকের শুরুতে সুশিলনের কর্মী প্রকল্পের লক্ষ্য উদ্দেশ্য ও সুবিধাভোগী হওয়ার শিক্ষাগত যোগ্যতার কথা বলেন। এরপর শুরু হলো প্রশ্ন-উত্তর পর্ব। যেখানে উপস্থিত নারীরা প্রশ্ন করছেন আর আমরা তার জবাব দিচ্ছি। প্রশ্ন-উত্তর পর্ব চলাকালীন সময়ে আমি লক্ষ্য করলাম এক নারী তার পাশেই দাঁড়িয়ে থাকা অন্য এক নারীকে জিজ্ঞেস করছে- ‘‘মুই তো অষ্টম শ্রেনী পাশ। তো মুই কি যাবার পারিম”। এই কথা শুনে ঐ নারী বললেন, ‘‘না, ট্রেরিংয়ত যাইতে হলে এইট পাশ লাগবো”। দ্বিতীয় মহিলার এই কথা উত্তর শুনে অন্য আর এক মহিলা বলেন, ‘‘এই যদি এইট পাশ যাবার পারে তবে অষ্টম পাশ কেন যাবার পারবো না”। স্থানীয় মানুষের এই সকল কথাবার্তা শুনে আমার এই বোধ হলো যে এখানে এইট পাশ ও অষ্টম শ্রেনী পাশের গ্রহণযোগ্যতা এক রকম নয়। যদিও তাদের অর্থ এক এবং অদ্বিতীয়। এখানে গ্রামীণ সমাজে দৈনন্দিন জীবনে শব্দের ব্যবহারের মাত্রাই অষ্টম ও এইট শব্দ দুটির মধ্যে পার্থক্য তৈরি করেছে। অষ্টম বাংলা ভাষার শব্দ হলেও ৮ ক্লাশ বোঝাতে বাংলার গ্রামীণ সমাজে এখনও অষ্টম অপেক্ষা এইট শব্দের ব্যবহার ও প্রচলন উভয়ই বেশি আর এ কারনেই স্থানীয় মানুষের ভাষাবোধকে স¤œান করে সুশিলনের কর্মীরা এইট পাশ শব্দটি ব্যবহার করে থাকে। 

ভাষার ব্যবহার, বোধগম্যতা এবং অর্থ একজন ব্যক্তির কাছে যেমন ভিন্ন। তেমনি এটি সমষ্টিগতভাবে একটি এলাকার মানুষের কাছেও ভিন্ন। এই ভিন্নতাকে আমরা তথাকথিত আপাত শিক্ষিত মানুষেরা প্রায়শই আমলে নেই না। তাই তো আমাদের যোগাযোগের ক্ষেত্রে তৈরি হয় নানা প্রতিবন্ধকতা। আর  এই প্রতিবন্ধকতাগুলো আরো চরম আকার ধারণ করে উন্নয়ন ক্ষেত্র এবং তার কর্মকান্ডে। যদিও স্থানীয় উন্নয়নকর্মীরা সেই শুরু থেকেই এই ভাষার বৈচিত্র্যতাকে গুরুত্ব দিয়ে  এসেছে। তাই তো তারা খুব সহজেই ভিন্ন ভিন্ন এলাকার সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে খুব সহজেই পৌঁছাতে পেরেছে।

আমরা প্রায়ই স্থানীয় মানুষের এই ভাষা চর্চা তথা ভাষাবোধকে আমরা নিজেদের হাসি তামাশার খোরাক হিসেবে ব্যবহার করে ভুল করে থাকি। এখন সময় এসেছ কিভাবে এই ভাষার ভিন্নতাকে আমাদের উন্নয়ন প্রকল্প পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নের মূলধারায় কাজে লাগাবো। ভাষার এই বৈচিত্র্যতাকে যদি উন্নয়নে নিয়ে আসতে পারি তাহলে নতুন সম্ভবনা সৃষ্টি হতে পারে। তাই আসুন ভাষা, শব্দের এই সমস্ত বৈচিত্র্যত কে অনুসন্ধান ও অনুধাবন করে উন্নয়নের দীর্ঘ যাত্রাকে ত্বরান্বিত করি।   

Please share with



Name : মো: ফারুক হোসেন
Email : sfaruq.228@gmail.com

Comment Section


Post Your Comment
Name

E-mail

Comment